loader image for Bangladeshinfo

ব্রেকিং নিউজ

  • রাসায়নিক গুদাম সরাতে সহযোগিতার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী

  • বেসিস এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সফটএক্সপোর যৌথ আয়োজক

বাণিজ্য মেলায় ২০০ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ প্রাপ্তি


বাণিজ্য মেলায় ২০০ কোটি টাকার রপ্তানি আদেশ প্রাপ্তি

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ২০১৯-এ  ২০০ কোটি টাকার রপ্তানি-আদেশ পাওয়া গেছে। শনিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর শেরেবাংলা নগর বাণিজ্য মেলা প্রাঙ্গণে মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি এই তথ্য জানিয়েছেন। খবর স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের।

বাণিজ্য মন্ত্রী বলেছেন, এবারের মেলায় দর্শক এসেছে ৫০ লাখ। দেশি পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধিকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন দেশেই তৈরী বিশ্বমানের পণ্য পাচ্ছে, ফলে দেশীয় পণ্যের প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তাই পণ্য আমদানি আস্তে আস্তে কমে আসছে।

সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি তোফায়েল আহমেদ ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)’র ভাইস-চেয়ারম্যান বিজয় ভট্টাচার্ষ বক্তব্য রাখেন।

বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিকল্প নেই। কিন্তু আমাদের বর্তমান রপ্তানি-বাণিজ্য তৈরি-পোশাক শিল্পের উপর নির্ভরশীল। তাই ওষুধ, আসবাবপত্র, চামড়া, আইসিটি, কৃষিপণ্য, জাহাজ নির্মাণের মতো সম্ভাবনাময় খাতগুলোকে কাজে লাগিয়ে পণ্য বহুমুখীকরণ করতে হবে। তিনি মনে করেন আরও বড় পরিসরে স্থায়ী জায়গায় মেলা আয়োজন করা গেলে রপ্তানি-আদেশ আরও বাড়বে।

টিপু মুন্শি বলেন, এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ঢাকার অদূরে পূর্বাচলে স্থায়ী এক্সিবিশন সেন্টার গড়ে তোলা হচ্ছে। সেখানে বছরজুড়ে বিভিন্ন মেলা ও প্রদর্শনী আয়োজন করা সম্ভব হবে।

তোফায়েল আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ এখন দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তানের তুলনায় সকল ক্ষেত্রে আমরা এগিয়ে গেছি। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভারতের চেয়েও বাংলাদেশ এগিয়ে। অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য তিনি দেশবাসীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এবারের বাণিজ্য মেলা ৯ জানুয়ারি শুরু হয়ে গত শনিবার শেষ হয়েছে। মেলায় দেশি-বিদেশি ৬০৫টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২টি দেশের ৫২টি বিদেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

মেলায় অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৩ বিভাগে ৪২টি সেরা প্রতিষ্ঠানকে ট্রফি প্রদান করা হয়েছে। ৩৩টি সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে ক্রেস্ট ও সর্বোচ্চ মূসক প্রদানের জন্য তিনটি প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কৃত করা হয়। টিপু মুনশি ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ যৌথভাবে ট্রফি ও ক্রেস্ট বিতরণ করেন।

Loading...