loader image for Bangladeshinfo

ব্রেকিং নিউজ

  • চীনের সাংহাইয়ে জিরো কোভিড অর্জন; তবুও লকডাউনে লাখ লাখ লোক

  • সাউথাম্পটনকে হারালো লিভারপুল; চাপে ম্যানসিটি

  • বিএসপিএ বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের তালিকায় মিরাজ ও তপু; পৃষ্ঠপোষক আমরা নেটওয়ার্কস

  • চট্টগ্রামে তামিমের এক হাজার রান

  • দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে দেশে ফিরেছিলাম: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ব্রাজিলকে রুখে দিলো ইকুয়েডর


বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ব্রাজিলকে রুখে দিলো ইকুয়েডর

২০২২ বিশ্বকাপের দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বের বৃহস্পতিবারের (২৭ জানুয়ারি) এই ম্যাচটিতে ছিল ফাউলের ছড়াছড়ি। লালকার্ড দেখেছেন দুই দলের দুইজন ফুটবলার। ব্রাজিলের গোলরক্ষক এলিসন বেকারও লালকার্ড দেখেছিলেন; কিন্তু ভিএআর-এর সিদ্ধান্তে সেটি বাতিল হয়ে যায়। এরপরও শেষ পর্যন্ত কোনো দলই জিততে পারেনি। ২০২২ বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ঘটনাবহুল এই ম্যাচে ব্রাজিলকে ১-১ গোলে রুখে দিয়েছে ইকুয়েডর।

ছয় মিনিটে গোল করে সেলেসাওদের এগিয়ে দেন ক্যাসেমিরো। ৭৫তম মিনিটে সমতা টানেন ফেলিক্স তোরেস। চোটের কারণে এই ম্যাচে ছিলেন না ব্রাজিলের সবচেয়ে বড় তারকা নেইমার। তাঁর জায়গায় সম্প্রতি বার্সেলোনা থেকে ধারে অ্যাস্টন ভিলায় খেলতে যাওয়া ফিলিপ কাটিনিওকে নিয়ে মাঠে নামে সেলেসাওরা।

ইকুয়েডরে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় দুই হাজার ৮৫০ মিটার উঁচুতে খেলতে নেমে মোট ৩২টি ফাউল করেছেন দুই দলের ফুটবলাররা। ম্যাচের প্রথম মিনিটেই মোইজেজ কাইসেদোকে বাজে ফাউল করে হলুদকার্ড দেখেন ব্রাজিলের এমারসন। এর রেশই চলেছে পুরো ম্যাচজুড়ে।

ষষ্ঠ মিনিটে কাটিনিওর বলে হেড করেন ম্যাথিউস কুন্হা। সেটা কোনোরকমে বাঁচান ইকুয়েডর গোলরক্ষক। বল পেয়ে আলতো ছোঁয়ায় গোলবারের কাছ থেকে নেওয়া শটে গোল করেন ক্যাসেমিরো (১-০)।

পঞ্চদশ মিনিটে ইকুয়েডরের ডোমিনগুয়েজ লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন।

ম্যাচের বিংশতম মিনিটে এমারসন ফাউল করেন আরও একটি। দ্বিতীয় হলুদকার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় তাঁকে। এটি হতে পারতো ইকুয়েডরের জন্য আশীর্বাদের। কিন্তু এর পাঁচ মিনিট আগেই লালকার্ড পায় দলটিও।

প্রতিপক্ষের দুই খেলোয়াড়ের চ্যালেঞ্জ সামলে এগিয়ে যান ব্রাজিলের কুন্হা। পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে বল ক্লিয়ার করতে শট নেন আলেকসান্দের ডমিঙ্গেজ। কিন্তু তা পা বলে তো লাগেইনি, উল্টো ডি-বক্সের মুখে ছুটে আসা প্রতিপক্ষের গলায় বুট দিয়ে আঘাত করে বসেন তিনি। ভিএআর-এর সাহায্যে তাঁকে লালকার্ড দেখান রেফারি।

২৬তম মিনিটে ব্রাজিল পড়েছিল আরও বড় বিপদে; নয়জনের দল হতে বসেছিল তাঁরা। প্রতিপক্ষের পাল্টা আক্রমণ রুখতে ডি-বক্স থেকে বের হয়ে শট নেন এলিসন; কিন্তু একটু পরই তাঁর পা লাগে এনের ভ্যালেন্সিয়ার মাথায়। লালকার্ড দেখান রেফারি। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত বদলে যায় ভিএআর-এর সাহায্যে।

প্রথমার্ধে আর কোনো গোল হয়নি; যদিও কয়েকটি আক্রমণ হয়েছিল। প্রথমার্ধের শেষে ১০ মিনিট সময় যোগ করেন রেফারি। 

প্রথমার্ধে কিছুটা অগোছালো থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে বেশ ভালো কয়েকটি আক্রমণ করে ইকুয়েডর। ৭৫তম মিনিটে এসে গোলের দেখা পায় দলটি। নসালা প্লাতার কর্নারে হেডে গোল করেন তোরেস (১-১)।

ম্যাচের শেষদিকে আর কেউ উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায়নি। অবশ্য, নাটকীয়তা শেষ হয়নি তখনও, পাঁচ মিনিট যোগ করা অতিরিক্ত সময় টানতে হয়েছে ১২ মিনিট পর্যন্ত।

যোগ করা সময়ে এসে ব্রাজিলের গোলরক্ষক বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের মিডফিল্ডার প্রেসিয়াদোর মুখে আঘাত করেন। এরপর তাঁকে লালকার্ড দেখান রেফারি, ইকুয়েডরকে দেন পেনাল্টি; তবে, সিদ্ধান্ত দুটিই পরে বদলে গেছে।

ব্রাজিল ১৪ ম্যাচে ১১ জয় ও তিন ড্রয়ে ৩৬ পয়েন্ট নিয়ে আছে শীর্ষে। ১৫ ম্যাচে সাত জয় ও তিন ড্রয়ে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে আছে ইকুয়েডর।

Loading...