loader image for Bangladeshinfo

শিরোনাম

  • ৩৪ বলে ম্যাচ জিতে সুপার এইটে অস্ট্রেলিয়া

  • শ্রীলংকার স্বপ্নভঙ্গ; সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকা

  • টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের প্রথম জয়

  • প্রীতি ম্যাচে গোলে পর্তুগালের বড় জয়

  • বিশ্বকাপ বাছাই: লেবাননের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের পরাজয়

ডর্টমুন্ডকে হতাশ করে বায়ার্নের একাদশ শিরোপা জয়


ডর্টমুন্ডকে হতাশ করে বায়ার্নের একাদশ শিরোপা জয়

বায়ার্ন মিউনিখ ২-১ ব্যবধানে কোলনকে পরাজিত করে বুন্দেসলিগার শিরোপা অক্ষুন্ন রাখলো। অন্যদিকে, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড ঘরের মাঠে মেইঞ্জের সাথে ২-২ গোলে ড্র করায় আগের রাতে টেবিলে এগিয়ে থেকেও শিরোপাবঞ্চিত হয়েছে। জার্মান ফরোয়ার্ড মুসিয়ালা দীর্ঘদিন দলের এই জয় মনে রাখবেন। কারণ, তাঁর গোলেই বুন্দেসলিগায় বায়ার্নের টানা একাদশ শিরোপা জয় নিশ্চিত হয়েছে। মৌসুম শেষে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ডর্টমুন্ডের সাথে সমান ৭১ পয়েন্ট অর্জিত হলেও গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে শিরোপা ধরে রাখলো টমাস মুলা’র দল।

এদিন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের সমীকরণ জানাই ছিল; মেইঞ্জের বিপক্ষে জিতলেই লিগ শিরোপা পুনরুদ্ধার হতো ক্লাবটির। আর তাই, এদিন সিগন্যাল ইদুনা পার্ক হলুদে হলুদে ভরে উঠেছিল। শুধু স্টেডিয়াম নয়, ডর্টমুন্ড শহরেও ছিল হলুদের সমারোহ। যাহােক, উৎসবের আমেজ মিলিয়ে গেলো নিমেষেই। একটি জয়ের সেই সমীকরণ মেলাতে পারেনি এডিন টেরজিকের দল। ঘরের মাঠে মেইঞ্জের সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করেছেন তাঁরা। তাতে লিগের শিরোপা উঠেছে বায়ার্ন মিউনিখের হাতে।

অন্যদিকে, বায়ার্ন মিউনিখ কোনো ভুল করেনি। কোলনের বিপক্ষে জিতেছে ২-১ গোলে। এতে দুই দলের পয়েন্ট সমান হওয়ায় লিগের ভাগ্য নিষ্পত্তি হয় গোল ব্যবধানে। ৩৪ ম্যাচে ৭১ পয়েন্ট বায়ার্নের। সমান পয়েন্ট ডর্টমুন্ডেরও; কিন্তু, বায়ার্নের গোল গড় (+৫৪) এবং ডর্টমুন্ডের (+৩৯)।

এ-নিয়ে টানা ১১ বার বুন্দেসলিগার শিরোপা ঘরে তুললো বায়ার্ন।

মেইঞ্জ পঞ্চদশ মিনিটে ডর্টমুন্ড সমর্থকদের স্তব্ধ করে এগিয়ে যায়। তিন মিনিট পরই সমতা ফেরানোর সেরা সুযোগ নষ্ট করে ডর্টমুন্ড। পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন সেবাস্টিয়ান হলা। ২৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে চালকের আসনে বসে মেইঞ্জ। তাতে, ডর্টমুন্ডের শিরোপা-স্বপ্ন ধূসর হয়ে যায়। ৬৯ মিনিটে রাফায়েল গুয়েরেইরো এবং যোগ করা সময়ে নিকোলাস সুলের গোল দুটি দলটিকে পরাজয় থেকেই শুধু রক্ষা করেছে।

একই সময়ে তখন কোলনের মাঠে শিরোপা উৎসবের প্রহর গুনছিল বায়ার্ন। ম্যাচের অষ্টম মিনিটে কিংসলে কোমান গোল করে জয়ের পথেই রাখেন চ্যাম্পিয়নদের। অবশ্য, ৮১ মিনিটে ডিয়ান লুবিচিচের পেনাল্টি গোলে সমতা ফেরায় কোলন। বায়ার্নের গোল হজমে তখন স্বস্তি ফিরে আসে ডর্টমুন্ড শিবিরে। কিন্তু সেই স্বস্তি উবে যায় মুহূর্তেই। ৮৯ মিনিটে জামাল মুসিয়ালার দারুণ গোলে শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যায় বাভারিয়ান ক্লাবটির।

বায়ার্ন ও ডর্টমুন্ডের সঙ্গে আগামী মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা নিশ্চিত করেছে আর বি লাইপজিগ ও ইউনিয়ন বার্লিন। লিগ থেকে অবনমন হয়েছে শালকে ও হার্থা’র।

লাইপজিগের কাছে ৪-২ গোলে পরাজিত হয়ে বুন্দেসলিগা থেকে রেলিগেটেড হয়েছে শালকে। দুই গোলে পিছিয়ে থেকে সমতায় ফিরেও শেষ রক্ষা হয়নি শালকের। শেষ ১০ মিনিটে আরও দুই গোল হজম করে কপাল পুড়ে তাঁদের।

ওয়ার্ডার ব্রেমেনের সাথে ঘরের মাঠে ১-০ গোলে জয়ের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা নিশ্চিত করেছেন ইউনিয়ন বার্লিন।

হফেনহেইমের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে তলানির থেকে তৃতীয় স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে স্টুটগার্ট। রেলিগেশন প্লে-অফের মাধ্যমে তাঁদের দ্বিতীয় বিভাগের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।

লেভারকুজেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে আরও এক মৌসুমের জন্য বুন্দেসলিগায় টিকে থাকলো বোখুম। টেবিলের চতুর্দশ স্থানে থেকে দলটি মৌসুম শেষ করেছে। বরুসিয়া মনশেনগ্ল্যাডবাখের কাছে ২-০ গোলে হেরে গিয়েও পঞ্চদশ স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে অসবার্গ।

Loading...