loader image for Bangladeshinfo

শিরোনাম

  • ইতালিয়ান কাপের শিরোপা জিতলো ইউভেন্টাস

  • ইউরোপের খেলার আশা টিকিয়ে রাখলো ম্যানইউ

  • মেসিবিহীন ইন্টার মায়ামির গোলশূন্য ড্র

  • অষ্টাদশ শিক্ষক নিবন্ধনে গড় পাসের হার ৩৫.৮০ শতাংশ

  • সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দ্বিতীয় ধাপের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশিত

নরসিংদীতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা উদ্বোধন


নরসিংদীতে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা উদ্বোধন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নরসিংদীতে নবনির্মিত ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা (জিপিইউএফএফ) উদ্বোধন করেছেন। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় এ-ধরনের বৃহত্তম কারখানা। এটি সার আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়তা করবে। তিনি পলাশ উপজেলায় জিপিইউএফএফ প্রাঙ্গনে রোববার (১২ নভেম্বর) এক অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন সার উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এই কারখানাটি উদ্বোধন করেন। খবর – স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের।

তিন দশক পুরোনো কারখানাটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নতুন করে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি স্থাপন এবং প্রকল্পের শুরু থেকেই বিদেশি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে যথাযথ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল প্রস্তুত  করা হয়েছে। ঘোড়াশাল রেলওয়ে স্টেশনের সাথে কারখানার সংযোগের জন্য একটি রেললাইন নির্মাণের কাজ চলছে।

উদ্বোধনের পরে প্রধানমন্ত্রী সার কারখানা পরিদর্শন করেন। তিনি স্মারক ডাকটিকেট, উদ্বোধনী খাম এবং জিপিইউএফএফ উদ্বোধনের দিনটিকে চিহ্নিত করে একটি বিশেষ সিলমোহরও প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে প্রকল্পের উপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। এ-সময় শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, এমপি, প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, এমপি, আনোয়ারুল আশরাফ খান, এমপি ও সিনিয়র সচিব জাকিয়া সুলতানা উপস্থিত ছিলেন।

কারখানার কার্যক্রম শুরু হলে সার আমদানির উপর নির্ভরতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। কারণ, দেশের মোট বার্ষিক ২৬ লাখ টন চাহিদার বিপরীতে স্থানীয় কারখানাগুলো একসাথে ১৯.২৪ লাখ মেট্রিক টন সার উৎপাদন করবে। স্থানীয় কারখানাগুলো বর্তমানে প্রায় ১০ লাখ টন উৎপাদন করছে এবং বাকি বার্ষিক চাহিদা আমদানির মাধ্যমে পূরণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) জানায়, কারখানাটি ৩০,০০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। ১১০ একর জমিতে নির্মিত কারখানাটির  দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২,৮০০ মেট্রিক টন।

কারখানার দু’টি বাষ্পীয় গ্যাস জেনারেটর ৩২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম এবং প্ল্যান্টটি চালানোর জন্য ২৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ লাগবে।

এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশ দূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন-ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।

এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী এবং সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

Loading...