loader image for Bangladeshinfo

ব্রেকিং নিউজ

  • চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বুধবার ভোট গ্রহণ

  • এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হবে

  • অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রোজেন্কার ৫০ লাখ কোভিড-১৯ টিকা এখন ঢাকায়

  • জলবায়ুর ক্ষতি পোষাতে উদ্যোগ গ্রহণে ব্যর্থতার জন্য অর্থ ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবই দায়ী: প্রধানমন্ত্রী

  • কোভিড-সংক্রান্ত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করবেন বাইডেন

মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৬তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন


মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৬তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন

বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র, অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের ১৯৬তম জন্মবার্ষিকী আজ শনিবার। মধুকবি যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে অবস্থিত সাগরদাঁড়ি গ্রামে ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন।

মহাকবির জন্মবার্ষিকী ও মধুমেলা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। খবর স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের।

মধুসূদনের জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে কবির জন্মভিটা সাগরদাঁড়িতে ২৩ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী ‘মধুমেলা’, শেষ হবে ২৮ জানুয়ারি। সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় যশোরের জেলা প্রশাসন এই মেলা আয়োজন করেছে।

১৯৭৩ সাল থেকে মধুসূদন দত্তের জন্মভিটা সাগরদাঁড়িতে তাঁর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী মধুমেলার আয়োজন করা হয়ে আসছে। তবে, সাবেক জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য (যশোর-৬) ইসমাত আরা সাদেকের মৃত্যুতে তাঁর স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ-বছর মধুমেলার ২২ জানুয়ারির উদ্বোধনী দিনের কর্মসূচি বাতিল করা হয়।

মধুসূদন দত্তের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত মধুমেলায় প্রতিদিনই এ-অঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার হাজার-হাজার মানুষ সাগরদাঁড়িতে আসছেন। মেলার আয়োজকরা জানিয়েছেন, মধুমেলা উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, কেশবপুর উপজেলা প্রশাসন ও মধুসূদন একাডেমি সাগরদাঁড়িতে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এই মেলায় সার্কাস, নাগরদোলা, যাদু প্রদর্শনী, যাত্রাপালাসহ নানা ধরনের বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে।

মাইকেল মধুসূদন দত্তের পিতার নাম রাজনারায়ণ দত্ত, মা জাহ্নবী দেবী। শৈশবে সাগরদাঁড়ির পাশে শেখপুরা গ্রামের মৌলভী খন্দকার মখমল সাহেবের কাছে বাংলা ও ফার্সি শিক্ষা লাভ করেন তিনি।

বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মধুসূদন দত্ত। ১৮৫৮ সালে ‘শর্মিষ্ঠা নাটক’ লিখে বাংলা ভাষায় সাহিত্যচর্চা শুরু করেন ও নাট্যান্দোলনে জড়িয়ে পড়েন তিনি।

মধুসূদন রচিত বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো - মেঘনাদবধ কাব্য, নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’ ও ‘পদ্মাবতী ,‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’, ইংরেজি কাব্যগ্রন্থ ‘দি কাপটিভ লেডি’, ‘দি অ্যাংলো স্যাক্সন অ্যান্ড দি হিন্দু’, প্রহসন ‘একেই কী বলে সভ্যতা’, ‘বুড়ো শালিকের ঘাড়ে রো’।

মধুসূদন দত্ত ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন মৃত্যুবরণ করেন।

Loading...