loader image for Bangladeshinfo

ব্রেকিং নিউজ

  • ‘স্মাইল্স’-এর অষ্টম বর্ষে পদার্পন, টিকেটের মূল্যে ১০% ছাড়

  • ঈদ উপলক্ষে রিগ্যাল ফার্নিচারে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়

  • ১৬ জন ভারতীয় নিয়ে গৌহাটি গেল নভোএয়ার

  • দেশের প্রথম ভার্চুয়াল সম্মেলন ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন সামিট ২০২০’ শুরু

জনগণের কল্যাণই সরকার সবচেয়ে বেশি চিন্তা করছে: প্রধানমন্ত্রী


জনগণের কল্যাণই সরকার সবচেয়ে বেশি চিন্তা করছে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকলকে করেনাভাইরাস থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে নিজ নিজ কর্মস্থলে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, জনগণের কল্যাণের কথা-ই তাঁর সরকার সবচেয়ে বেশি চিন্তা করছে। তিনি বলেন, ‘সকলকে স্ব-স্ব স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রেখেই স্ব-স্ব কর্মস্থলে কাজ করে যেতে হবে। দেশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, কেননা তাঁদের কথাই আমরা বেশি চিন্তা করি। সবাই ভালো থাকেন, সুস্থ থাকেন – সেটাই কামনা করি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মনে রাখতে হবে আমার নিজের সুরক্ষা মানেই অপরকে সুরক্ষিত করা। নিজে, নিজের পরিবার এবং সহকর্মী সকলের সুরক্ষার জন্য আমরা সবাই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করবো।’

শেখ হাসিনা আজ সকালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)-এর সভায় এ-কথা বলেন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে সংযুক্ত হন এবং সভাপতিত্ব করেন। খবর স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের।

এই ভার্চুয়াল একনেক সভায় ১৬ হাজার ২৭৬ কোটি ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে ১০টি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। পরে, পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান সভার বিষয়ে বিস্তারিত সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর আগে আমরা জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের সভা করে বাজেট প্রণয়নের কাজগুলো করেছি। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ ভাইরাসের কারণে আজ শুধু বাংলাদেশ নয় সমগ্রবিশ্বই বলতে গেলে স্থবির হয়ে পড়েছে। এরমধ্যেও আপনারা যাঁরা আজকে প্রকল্পগুলো তৈরী করে নিয়ে এসেছেন বা ডিজিটাল পদ্ধতিতে এই মিটিংটা যে করতে পারছি – সেজন্য আপনাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

প্রধানমন্ত্রী এসময় করোনাভাইরাসের কারণে দেশে ও বিদেশে মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশিদের জন্য শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।

তিনি বলেন, ‘এ-ব্যাপারে যে-স্বাস্থ্যবিধি দেওয়া হয়েছে, দেশবাসী সেটা মেনে চলবে – এটাই আমরা চাই।’

তিনি বলেন, ‘কোভিড-১৯ এর কারণে উন্নয়নের গতিশীলতা কিছুটা কমে এলেও আমরা মনে করি, এই দিন থাকবে না। যেকোনো প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করেই আমরা এগিয়ে যেতে পারবো।’

লকডাউন শিথিল করার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই না আমাদের দেশের মানুষ কষ্ট পাক। সেজন্য আমরা যেসব বন্ধ করে দিয়েছিলাম – এখন তা কিছু কিছু করে উন্মুক্ত করা শুরু করেছি। কারণ, দেশের খেটে খাওয়া জনগণ থেকে শুরু করে স্বল্প আয়ের লোকজন, প্রত্যেকেই যেন তাঁদের জীবনযাত্রা সচল রাখতে পারে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারপরেও আমি বলবো, চলাফেরা থেকে শুরু করে সবকিছুতেই স্বাস্থ্যবিধিটা মেনে চলবেন। যেটা (স্বাস্থ্যবিধি) আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সেটা মেনেই আমাদের চলতে হবে, যাতে দেশের মানুষ সুরক্ষিত থাকতে পারে।’

তাঁর সরকারের শাসনে দেশের এগিয়ে চলা এবং বর্তমান মুজিববর্ষ থেকে ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন পর্যন্ত দেশের দারিদ্রের হার আরও কমিয়ে এনে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বিশ্বদরবারে প্রতিষ্ঠার পূর্ব-নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনেও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।

Loading...