loader image for Bangladeshinfo

ব্রেকিং নিউজ

  • কক্সবাজারে শুরু হচ্ছে জাতীয় আর্চারি

  • ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে অ্যাটলেটিকোর কষ্টার্জিত জয়

  • চেল্সি-ম্যান ইউ গোলশূন্য ড্র, চার ম্যাচ পরে জিতলো লিভারপুল

  • লুকাকুর গোলে ইন্টারের জয় অব্যাহত, রোমাকে হারিয়েছে মিলান

  • সরকার দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে শিক্ষাকে বহুমাত্রিক করতে কাজ করছে: প্রধানমন্ত্রী

কালিয়াকৈর ডেটা সেন্টারে সরকারি ডেটা সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত


কালিয়াকৈর ডেটা সেন্টারে সরকারি ডেটা সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত

মন্ত্রিসভা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার (৭ ডিসেম্বর) এর নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, কালিয়াকৈর ডেটা সেন্টারে সকল সরকারি সংস্থা বাধ্যতামূলকভাবে তাঁদের তথ্য সংরক্ষণ করবে। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, এখন থেকে সরকারি সংস্থাগুলোর আইসিটি বিভাগের অধীনে কালিয়াকৈর ডেটা সেন্টারে তাঁদের ডেটা সংরক্ষণ করা বাধ্যতামূলক এবং বেসরকারি সংস্থাগুলোও অর্থ প্রদানের মাধ্যমে তা করতে পারবে। খবর স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের।

ডেটা সেন্টারের ধারণ ক্ষমতা ৩০০ টেরাবাইট উল্লেখ করে তিনি বলেন, যশোরে কালিয়াকৈর ডেটা সেন্টারে সংরক্ষিত তথ্যগুলোর একটি ব্যাকআপ থাকবে, যাতে ডেটা সেন্টারটি কোনো উপায়ে ধ্বংস করা হলেও ডেটা না হারায়। এ-প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মন্ত্রিসভা ‘বাংলাদেশ ডেটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড’ শীর্ষক একটি সংস্থার মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাসোসিয়েশন ও সংস্থার আর্টিকেল অফ অ্যাসোসিয়েশনের সংশোধিত খসড়ায় ভূতাপেক্ষ অনুমোদন দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিসভার সহকর্মীরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে যোগ দেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোকে তাঁদের তথ্য সংরক্ষণের জন্য কালিয়াকৈর ডেটা সেন্টারে তাঁদের নিজস্ব সার্ভার খুলতে হবে। তিনি বলেন, তথ্য সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকবে, এমনকি ডেটা সেন্টারের মালিকদের কোনো সংস্থার ডেটায় প্রবেশাধিকার থাকবে না এবং শুধু সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিজ নিজ ডেটায় প্রবেশাধিকার থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সরকার এই কোম্পানির প্রাথমিক পরিচালন তহবিল হিসাবে ৫০ কোটি টাকা দেবে – যা ছিল ১০ কোটি টাকা। এরপরে সংস্থাটিকে নিজস্ব রাজস্ব আয় দিয়ে ডেটা সেন্টার চালাতে হবে।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আইসিটি বিভাগ চতুর্থ শিল্প বিপ্লব সামলাতে বাংলাদেশের নতুন প্রযুক্তি ও সম্ভাবনা মোকাবেলায় কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে – সে-সম্পর্কে একটি বিস্তৃত উপস্থাপন দেখিয়েছে। উপস্থাপনায় বলা হয়েছে, ১০টি প্রযুক্তি ভবিষ্যত বিশ্বের নেতৃত্ব দেবে। সেগুলো হলো: উন্নত উপাদান, ক্লাউড প্রযুক্তি, স্বায়ত্তশাসিত যানবাহন, কৃত্রিম জীববিজ্ঞান, ভার্চুয়াল অগমেন্টেড রিয়েলিটি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবট, ব্লকচেইন, ত্রিমাত্রিক মুদ্রণ ও ইন্টারনেট।

তিনি বলেন, সুতরাং চতুর্থ শিল্প বিপ্লব উন্মোচনের জন্য আমাদের কাছে ১০টি প্রযুক্তির বিষয়ে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় নেই। কারণ, এছাড়া আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা করতে পারবো না। বিষয়টি নিয়ে সময়মতো হস্তক্ষেপের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, আমরা কিভাবে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব পরিচালনা করবো – তার উপর আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। যদি এটি সঠিকভাবে পরিচালনা করতে না পারি, তাহলে আমরা সমস্যার মুখোমুখি হবো।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সময় উৎপাদন ব্যবস্থা এবং সম্পূর্ণ প্রযুক্তি পরিবর্তিত হবে। তাই বাংলাদেশকে বিপ্লবের জন্য তাঁর কর্মীদের উপযুক্ত করে তুলতে হবে, অন্যথায় এটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, অর্থনীতি, প্রযুক্তি বা অন্যান্য দৃষ্টিকোণ থেকে পিছিয়ে পড়বে।

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সময় উৎপাদন ও শিল্প-প্রযুক্তি ব্যবস্থা পুরোপুরি পরিবর্তিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে বিপ্লবের জন্য উপযুক্ত করতে হবে; অন্যথায় আন্তর্জাতিকভাবে পিছিয়ে পড়তে হবে।

Loading...