loader image for Bangladeshinfo

শিরোনাম

  • ৩৪ বলে ম্যাচ জিতে সুপার এইটে অস্ট্রেলিয়া

  • শ্রীলংকার স্বপ্নভঙ্গ; সুপার এইটে দক্ষিণ আফ্রিকা

  • টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের প্রথম জয়

  • প্রীতি ম্যাচে গোলে পর্তুগালের বড় জয়

  • বিশ্বকাপ বাছাই: লেবাননের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের পরাজয়

‘হার্টের যত্নে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ জরুরি’


‘হার্টের যত্নে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ জরুরি’

স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, তৃণমূল পর্যায়ে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং এখাতে সরকারের বাজেট বৃদ্ধি করার মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগ ঝুঁকি অনেকাংশেই মোকাবেলা করা সম্ভব। বিশ্ব হার্ট দিবস উপলক্ষে শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এক ওয়েবিনারে জনস্বাস্থ্য হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ বক্তাগণ আরও বলেন, বিশ্বে প্রতিবছর দুই কোটিরও বেশি মানুষ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন, যার অন্যতম কারণ উচ্চ রক্তচাপ। হৃদরোগজনিত মৃত্যুর ৮০ ভাগ প্রতিরোধযোগ্য হলেও বাংলাদেশে হৃদরোগের ঝুঁকি এবং হৃদরোগজনিত মৃত্যু ধীরে ধীরে বাড়ছে। তাই, হার্টের যত্নে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ জরুরি।

গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি প্রতিষ্ঠান প্রজ্ঞা (প্রগতির জন্য জ্ঞান) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে হৃদরোগ ঝুঁকি এবং করণীয়’ শীর্ষক এই ওয়েবিনারের আয়োজনে সহযোগিতা প্রদান করে গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর (জিএইচএআই)। খবর – স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের।

ওয়েবিনারে জানানো হয়, বাংলাদেশে প্রতি চার জনে একজন প্রাপ্তবয়স্ক লোক উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্ত। ডব্লিউএইচও-এর  গ্লোবাল রিপোর্ট অন হাইপারটেনশন ২০২৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতিবছর ২ লাখ ৭৩ হাজার মানুষ হৃদরোগে মারা যায়, যার ৫৪ শতাংশের জন্য দায়ী উচ্চ রক্তচাপ। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপে আক্রান্তদের (৩০-৭৯ বছর বয়সী) অর্ধেকই জানেন না যে – তাঁদের উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে চিকিৎসা সেবা গ্রহণের হার খুবই কম, মাত্র ৩৮ শতাংশ। নিয়মিত ওষুধ সেবনের মাধ্যমে রোগটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছেন মাত্র ১৫ শতাংশ; অর্থাৎ, প্রতি সাত জনে একজন।

ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হসপিটাল অ্যান্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের ইপিডেমিওলজি অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সোহেল রেজা চৌধুরী বলেন, ‘অসংক্রামক রোগজনিত মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ উচ্চ রক্তচাপ। এটি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে আসবে।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসার ডা. ফারজানা আক্তার ডরিন বলেন, বিনামূল্যে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ প্রদানের পাশাপাশি প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগের ঝুঁকি কমানো সম্ভব। গ্লোবাল হেলথ অ্যাডভোকেসি ইনকিউবেটর-জিএইচএআই এর বাংলাদেশ কান্ট্রি লিড মুহাম্মদ রূহুল কুদ্দুস বলেন, ‘হৃদরোগ প্রতিরোধে কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ প্রদানের সিদ্ধান্ত দ্রুত বাস্তবায়ন করা জরুরি।’

ওয়েবিনারে  আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন – প্রজ্ঞা’র নির্বাহী পরিচালক এ বি এম জুবায়ের। বাংলাদেশে উচ্চ রক্তচাপজনিত হৃদরোগের প্রকোপ ও করণীয় সম্পর্কে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রজ্ঞার হেড অফ প্রোগ্রাম্স মো. হাসান শাহরিয়ার। ওয়েবিনারটি সঞ্চালনা করেন প্রজ্ঞা’র কো-অর্ডিনেটর সাদিয়া গালিবা প্রভা।

Loading...